লেবাননের সৈকতে প্রাণ রক্ষাকারী ‘গার্ডিয়ান’

গার্ডিয়ান অর্থ অভিভাবক। একজন অভিভাবক যেভাবে সতর্ক চোখে সন্তানকে আগলে রাখেন সেভাবেই সমুদ্রসৈকতে পর্যটককে আগলে রাখবে একটি ড্রোন বা চালকবিহীন ছোট বিমান। সাগরে গোসল করতে নেমে বা সাঁতার কাটতে গিয়ে অনেক সময়ই ঘটে দুর্ঘটনা। ভাগ্য ভালো থাকলে হয়তো বেঁচে যায় কেউ কেউ। কিন্তু অনেকেই নিখোঁজ হন। ফিরে আসেন লাশ হয়ে। তাই ডুবে যাওয়ার হাত থেকে পর্যটকদের বাঁচাতে লেবাননের সিডন সৈকতে চালু হয়েছে ‘দ্য গার্ডিয়ান’। কেননা গ্রীষ্মের শুরু থেকে এ সৈকতে এখন পর্যন্ত পানিতে ডুবে যাওয়ার তিনটি ঘটনা ঘটে।

‘ফ্রেন্ডস অব জাইরা অ্যান্ড সিডন বিচ’ নামের একটি সংস্থা সিডনের পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে দ্য গার্ডিয়ান নামের এই ড্রোনটি উপহার দিয়েছে।
নতুন এ সংস্থাটি পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে।

ড্রোনটির রয়েছে ছয়টি রোটর। সাঁতার কাটতে গিয়ে যারা ডুবে যায় তাঁদের বাঁচাতে ড্রোন থেকে পানিতে ফেলা হয় বয়া। এই ড্রোনের লক্ষ্য হলো দুর্ঘটনার ১০ সেকেন্ডের মধ্যে যেন ওই ব্যক্তিকে সাহায্য করা যায়।

ড্রোনটির নির্মাতা রাবিহ আল আওজি নামের উদ্ভাবক। তাঁর দাবি, ড্রোনটি সৈকতে ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। ড্রোনটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। এটি দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে বলে নিমেষেই ডুবন্ত মানুষের কাছে জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে পারে। এক নাগাড়ে ২০ মিনিট উড়তে পারে। পাঁচ কেজি ওজনের বস্তুসহ দুই কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে দ্য গার্ডিয়ান।

দ্য গার্ডিয়ান ড্রোনটি দূরনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (রিমোট কন্ট্রোল) দিয়ে সৈকতের লাইফগার্ডরা পরিচালনা করতে পারেন।