আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন,সিলেট রেলওয়ে স্টেশন

Visit Website

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ফোন নম্বর: ৯৩৫৮৬৩৪,৯৩৩১৮২২, বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন ফোন নম্বর: ৮৯২৪২৩৯,

আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন টি ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচল করে।   মঙ্গলবার ছাড়া বাকি দিনগুলিতে ট্রেনটি ঢাকা-সিলেট রুটে যাতায়াত করে থাকে।

পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচি

ট্রেনটি মঙ্গলবার ছাড়া প্রতি দিন ঢাকার কমলাপুর রেল ষ্টেশন থেকে ছাড়ে সকাল ভোর ৬:৪০ ছেড়ে সিলেট পোঁছে দুপুর ১:৪৫ মিনিটে। আবার সিলেট থেকে প্রতিদিন বিকেল ৩ঃ০০ ছেড়ে আসে আর ঢাকয় পোঁছে রাত ১০ঃ১০ মিনিটে।

যাত্রা বিরতীর স্থান

আন্ত:নগর পারাবত ট্রেন ঢাকা সিলেট রুটে চলাচল করলেও মাজে অনেক জায়গায় যাত্রা বিরতি করে থাকে। কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল, শায়েস্তাগঞ্জ, নোয়াপাড়া, আজমপুর এবং ব্রাহ্মনবাড়ীয়া।

মালামাল পরিবহন
  • একজন শীতাতপ শ্রেণীর যাত্রী ৫৬ কেজি, প্রথম শ্রেণীর যাত্রী ৩৭.৫ কেজি, শোভন শ্রেণীর যাত্রী ২৮ কেজি এবং সুলভ ২য় শ্রেণীর যাত্রী ২৩ কেজি মালামাল বিনা ভাড়ায় সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন।
  • অতিরিক্ত মালামাল মাশুল পরিশোধ করে তা লাগেজ হিসেবে তার নিজ গন্তব্যে নিতে পারেন। বড় স্টেশনগুলোতে লাগেজ বুকিংয়ের জন্য আলাদা কাউন্টার রয়েছে।
  • লাগেজ বহনের জন্য ট্রলির ব্যবস্থা আছে।
  • অসুস্থ ব্যাক্তিদের বহনের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা আছে।
খাবার ব্যবস্থা

আন্তঃনগর ট্রেন গুলোতে খাবারের গাড়ি সংযোজন করা থাকে। করিডোরের মাধ্যমে ট্রেনের যেকোন প্রান্ত থেকে খাবারের গাড়িতে গিয়ে খাবার গ্রহণ করা যায়। এসকল খাবার গাড়িতে খাবারের মূল্য তালিকা টানানো থাকে। এখানে বার্গার, কেক, স্যান্ডউইচ, পেটিস, রোল, পাউরুটি, চা, কপি, কাটলেট, সিদ্ধ ডিম, ফ্রাইড চিকেন, কাবাব সিঙ্গারা, সমুচা, নানা ধরনের কোমল পানীয় ও মিনারেল ওয়াটার পাওয়া যায়। এছাড়া দৈনিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিন পাওয়া যায়।

অন্যান্য সুবিধাদি
  • আন্তঃনগর ট্রেনগুলো নামাযের জন্য নির্ধারিত জায়গা রয়েছে।
  • কতর্ব্যরত গার্ডের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স রয়েছে।
  • টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে। তবে ট্রেন থেমে থাকা অবস্থায় টয়লেট ব্যবহার না করা ভালো।
  • প্রত্যেক বগিতে একজন করে গাইড থাকেন। যাত্রীদের সেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ট্রেনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
  • যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে জানালার পাশে এ্যালুমিনিয়ামের শাটার। ট্রেনে ভ্রমণকালে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন – ট্রেনের দরজা-জানালায় না বসা, ট্রেনের ছাদে না ওঠা, ইঞ্জিনে না চড়া। ঘনবসতি বা বস্তি এলাকাতে ট্রেন চলার সময় জানালার শাটার লাগিয়ে দেয়া।
  • এসি কেবিন ছাড়া শোভন বগিতে স্ট্যান্ডিং টিকেট কাটার সুবিধা রয়েছে। মোট বরাদ্দকৃত টিকেট বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর স্ট্যান্ডিং টিকেট দেয়া হয়। স্ট্যান্ডিং টিকিটের মূল্য সিটিং টিকেটের সমান এবং সাথে সাধারণ টিকেটের মতই পণ্য নেয়া যায়।

ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট

ইন্টারনেটে টিকেট কাটতে হলে প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে  হবে। এরপর ই-মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত গন্তব্যের টিকেট বেছে নিয়ে ভিসা বা মাস্টারকার্ড সমর্থিত ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করার পর গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এটির প্রিন্ট নিয়ে ট্রেন ছাড়ার ১৫ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত হতে হবে; ২০ টাকা অতিরিক্ত মাশুল দিতে হবে এজন্য।

টিকেট কাটার বিস্তারিত:

রেলওয়ের ওয়েবসাইটে (www.railway.gov.bd) গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:

নতুন ব্যবহারকারী হলে ‘সাইন আপ’-এ ক্লিক করতে হবে।  এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:

প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরমটি পুরণ করতে হবে। সঠিকভাবে ফরমটি পূরণ করা হলে গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় একটি এক্টিভেশন লিংঙ্ক পাঠানো হবে। যেটির চিত্র অনেকটা এরকম:

এই এক্টিভেশন লিংকে ক্লিক করার পরই কেবল গ্রাহকের একাউন্ট চালু হবে।

এরপর আবার রেলওয়ের ওয়েবসাইট (www.railway.gov.bd) এ গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এখানে ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড দিয়ে নিজের একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:

এখান থেকে ‘পারচেজ টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:

এখানে ড্রপ ডাউন বক্সগুলো থেকে  নির্বাচন কাজ সম্পন্ন করে ‘সার্চ’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। আসন খালি থাকলে টিকেটের মূল্য এবং সার্ভিস চার্জ জানিয়ে সম্মতি চাওয়া হবে। সম্মতি দেবার পর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:

ভিসা, মাস্টার কার্ড বা ব্র্যাক ব্যাংক এই তিন ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকেটের মূল্য পরিশোধ করা যায়। এখান থেকে প্রয়োজনীয় পদ্ধতি বেছে নেবার পর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:

এবার কার্ডের তথ্য দিয়ে টিকেট কাটার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এরপর গ্রাহককে সেটির প্রিন্ট কপি, মোবাইল ফোন (যে নম্বরটি তার একাউন্টে দেয়া আছে), ক্রেডিট কার্ড (যেটি ব্যবহার করে টিকেট কেনা হয়েছে) ইত্যাদি প্রদর্শন করে যাত্রার ১৫ মিনিট আগে টিকেটের মূল কপি সংগ্রহ করতে হবে।

অন্যান্য তথ্য:

  • প্রাথমিকভাবে কেবল বাংলাদেশী নাগরিকগণ ইন্টারনেটে টিকেট কাটার সুবিধা পাচ্ছেন।
  • একজন ব্যক্তি একসাথে সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কাটতে পারেন।
  • যাত্রার সর্বোচ্চ তিন দিন আগের টিকেট কাটা সম্ভব।
  • ইন্টারনেটে টিকেট কাটার জন্য ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়।

টিকেট ফেরত দেয়া

ট্রেন ছাড়ার ৪৮ ঘন্টা পূর্বে ফেরত দিলে সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর ক্লারিকেল চার্জ কর্তন সাপেক্ষে পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হয়।

Facebook Share.

Visited 5255 times, 1 Visits today

Tagged In আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস,ঢাকা সিলেট রুটের ট্রেন and পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচি

Add a Review

Related Listings

  • সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন লিঃ ঢাকা থেকে বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী পরিবহন সমুহের মধ্যে একটি পরিচিত নাম।  সুগন্ধা পরিবহন বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় চলাচল করে। সায়েদাবাদ থেকে এই পরিবহনের গাড়িগুলো  … Read more »

  • এম.ভি মাহিরা

    এম.ভি মাহিরা

    পর্যটন প্রতিষ্ঠান গ্রীন চেনেলের প্রমোদ তরী এম.ভি মাহিরা তে পা রেখে মনে হতে পারে ভুলে কোন রিসোর্টে পৌছে গেছে নাকি। তবে হ্যা চার পাশের উপস্থিতি জলরাশিই সে… Read more »

  • এম.ভি. গ্রীন লাইন

    এম.ভি. গ্রীন লাইন

    সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল বাসীর একটা স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে ! ঢাকা -বরিশাল রুটে চালু হল এম.ভি. গ্রীন লাইন নামক নতুন জাহাজ। এ রুটে চলাচল… Read more »