আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস

Visit Website

ঢাকা সিলেট রুটে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী চলাচল করে থাকে যার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রেলে যাতায়াত করে থাকে। ঢাকা সিলেট রুটে ট্রেন একাদিকরয়েছে এর মধ্যে পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন টি উল্লেখযোগ্য। এটি একটি আন্ত:নগর ট্রেনরেলে ভ্রমন আরামদায়ক বিধায় অনেকে পরিবার প্রিজন নিয়ে ট্রেনে ভ্রমন করে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি ট্রেনের সময়সূচি ঠিক ভাবে না জানেন তাহলে ট্রেন মিস করতে পারে। তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরলাম। আশা করছি ঢাকা সিলেট রুটে ভ্রমন কারী রেল যাত্রীদের কাজে আসবে।

train

পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময় সূচী

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে যায় সকাল ৭.০০ টায় আর সিলেটে পোঁছে দুপুর ১ টায়। আবার সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে আসে বিকেল ৩.০০ টায় এবং ঢাকা পোঁছে রাত ৯:৪৫ মিনিটে।

বন্ধের দিন

প্রতি মঙ্গলবার ট্রেন টি সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে।

যাত্রা বিরতীর স্থান ও ভাড়ার তালিকা

গন্তব্যস্থল

শো: চেয়ার

১ম সিট

স্নিগ্ধা

সিলেট/মাইজগাঁও

২৯৫

৩৯৫

৫৬৪

কুলাউড়া

২৫৫

৩৪০

৪৮৯

শ্রীমঙ্গল

২২৫

২৯৫

৪২৬

শায়েস্তাগঞ্জ

১৯৫

২৬০

৩৭৪

নোয়াপাড়া

১৮০

২৪০

৩৪৫

আজমপুর

১৫০

২০০

২৮৮

ব্রাহ্মনবাড়ীয়া

১৩৫

১৭৫

২৫৩

মালামাল পরিবহন

  • একজন শীতাতপ শ্রেণীর যাত্রী ৫৬ কেজি, প্রথম শ্রেণীর যাত্রী ৩৭.৫ কেজি, শোভন শ্রেণীর যাত্রী ২৮ কেজি এবং সুলভ ২য় শ্রেণীর যাত্রী ২৩ কেজি মালামাল বিনা ভাড়ায় সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন।
  • অতিরিক্ত মালামাল মাশুল পরিশোধ করে তা লাগেজ হিসেবে তার নিজ গন্তব্যে নিতে পারেন। বড় স্টেশনগুলোতে লাগেজ বুকিংয়ের জন্য আলাদা কাউন্টার রয়েছে।
  • লাগেজ বহনের জন্য ট্রলির ব্যবস্থা আছে।
  • অসুস্থ ব্যাক্তিদের বহনের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা আছে।

খাবার ব্যবস্থা

আন্তঃনগর ট্রেন গুলোতে খাবারের গাড়ি সংযোজন করা থাকে। করিডোরের মাধ্যমে ট্রেনের যেকোন প্রান্ত থেকে খাবারের গাড়িতে গিয়ে খাবার গ্রহণ করা যায়। এসকল খাবার গাড়িতে খাবারের মূল্য তালিকা টানানো থাকে। এখানে বার্গার, কেক, স্যান্ডউইচ, পেটিস, রোল, পাউরুটি, চা, কপি, কাটলেট, সিদ্ধ ডিম, ফ্রাইড চিকেন, কাবাব সিঙ্গারা, সমুচা, নানা ধরনের কোমল পানীয় ও মিনারেল ওয়াটার পাওয়া যায়। এছাড়া দৈনিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিন পাওয়া যায়।

 অন্যান্য সুবিধাদি

  • আন্তঃনগর ট্রেন গুলো নামাযের জন্য নির্ধারিত জায়গা রয়েছে।
  • কতর্ব্যরত গার্ডের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স রয়েছে।
  • টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে। তবে ট্রেন থেমে থাকা অবস্থায় টয়লেট ব্যবহার না করা ভালো।
  • প্রত্যেক বগিতে একজন করে গাইড থাকেন। যাত্রীদের সেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ট্রেনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
  • যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে জানালার পাশে এ্যালুমিনিয়ামের শাটার। ট্রেনে ভ্রমণকালে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন – ট্রেনের দরজা-জানালায় না বসা, ট্রেনের ছাদে না ওঠা, ইঞ্জিনে না চড়া। ঘনবসতি বা বস্তি এলাকাতে ট্রেন চলার সময় জানালার শাটার লাগিয়ে দেয়া।
  • এসি কেবিন ছাড়া শোভন বগিতে স্ট্যান্ডিং টিকেট কাটার সুবিধা রয়েছে। মোট বরাদ্দকৃত টিকেট বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর স্ট্যান্ডিং টিকেট দেয়া হয়। স্ট্যান্ডিং টিকিটের মূল্য সিটিং টিকেটের সমান এবং সাথে সাধারণ টিকেটের মতই পণ্য নেয়া যায়।

ট্রেনের টিকেট বুকিং

ট্রেন ছাড়ার আগে সরাসরি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অথবা অনলাইনে টিকেট কাটতে পারবেন। অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য আপনাকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েভসাইট www.railway.gov.bd ভিজিট করতে হবে।

 

Facebook Share.

Visited 5089 times, 1 Visits today

Tagged In আন্ত:নগর পারাবত এক্সপ্রেস

Add a Review

Related Listings

  • সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন লিঃ ঢাকা থেকে বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী পরিবহন সমুহের মধ্যে একটি পরিচিত নাম।  সুগন্ধা পরিবহন বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় চলাচল করে। সায়েদাবাদ থেকে এই পরিবহনের গাড়িগুলো  … Read more »

  • এম.ভি মাহিরা

    এম.ভি মাহিরা

    পর্যটন প্রতিষ্ঠান গ্রীন চেনেলের প্রমোদ তরী এম.ভি মাহিরা তে পা রেখে মনে হতে পারে ভুলে কোন রিসোর্টে পৌছে গেছে নাকি। তবে হ্যা চার পাশের উপস্থিতি জলরাশিই সে… Read more »

  • এম.ভি. গ্রীন লাইন

    এম.ভি. গ্রীন লাইন

    সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল বাসীর একটা স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে ! ঢাকা -বরিশাল রুটে চালু হল এম.ভি. গ্রীন লাইন নামক নতুন জাহাজ। এ রুটে চলাচল… Read more »