উপকূল এক্সপ্রেস

Visit Website

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন - ৯৩৫৮৬৩৪,৯৩৩১৮২২, ০১৭১১৬৯১৬১২, বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন ৮৯২৪২৩৯-

ঢাকা-নোয়খালী রুটে চলাচল করে ৭১২/৭১১ নং উপকূল আন্ত:নগর ট্রেনটি।

সময়সূচি

ঢাকা থেকে নোয়াখালী ছাড়বে বিকাল ৪:০০, পৌছাবে

ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ  বুধবার।

যাত্রা বিরতীর স্থান ও ভাড়ার তালিকা

নাথেরপেটুয়া, সোনাইমুড়ি, বজরা, চৌমুহনী, নোয়াখালীর ভাড়া শোভন শ্রেণী – ২১০ টাকা, শোভন চেয়ার – ২৫০ টাকা, প্রথম শ্রেণী – ৩৩৫ টাকা

লাকসাম  ভাড়া শোভন শ্রেণী – ১৭৫ টাকা, শোভন চেয়ার – ২১০ টাকা, প্রথম শ্রেণী – ২৮০ টাকা ।

কুমিল্লা ভাড়া শোভন শ্রেণী – ১৬০ টাকা, শোভন চেয়ার – ১৯০ টাকা, প্রথম শ্রেণী – ২৫০ টাকা ।

কসবা ভাড়া শোভন শ্রেণী – ১৩৫ টাকা, শোভন চেয়ার – ১৬০ টাকা, প্রথম শ্রেণী – ২১৫ টাকা ।

আখাউড়া ভাড়া শোভন শ্রেণী – ১২৫ টাকা, শোভন চেয়ার – ১৪৫ টাকা, প্রথম শ্রেণী – ১৯৫ টাকা ।

ব্রাহ্মনবাড়ীয়া ভাড়া শোভন শ্রেণী – ১১০ টাকা, শোভন চেয়ার – ১৩৫টাকা, প্রথম শ্রেণী – ১৭৫ টাকা ।

আশুগঞ্জ ভাড়া শোভন শ্রেণী – ১০০ টাকা, শোভন চেয়ার – ১২০ টাকা, প্রথম শ্রেণী – ১৬০টাকা ।

মালামাল পরিবহন

  • একজন শীতাতপ শ্রেণীর যাত্রী ৫৬ কেজি, প্রথম শ্রেণীর যাত্রী ৩৭.৫ কেজি, শোভন শ্রেণীর যাত্রী ২৮ কেজি এবং সুলভ ২য় শ্রেণীর যাত্রী ২৩ কেজি মালামাল বিনা ভাড়ায় সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন।
  • অতিরিক্ত মালামাল মাশুল পরিশোধ করে তা লাগেজ হিসেবে তার নিজ গন্তব্যে নিতে পারেন। বড় স্টেশনগুলোতে লাগেজ বুকিংয়ের জন্য আলাদা কাউন্টার রয়েছে।
  • লাগেজ বহনের জন্য ট্রলির ব্যবস্থা আছে।
  • অসুস্থ ব্যাক্তিদের বহনের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা আছে।

মালামাল বহনে কুলি চার্জ

স্টেশন থেকে বগিতে কিংবা বগি থেকে স্টেশনের বাইরে মালামাল বহনের জন্য কুলির ব্যবস্থা আছে। মালামালের পরিমান অনুযায়ী তারা চার্জ নিয়ে থাকে। এখানে বর্তমান প্রচলিত চার্জের তালিকা দেয়া হল, যদিও প্রকৃত ক্ষেত্রে দর-কসাকসি করেই তাদের সেবা নেয়া যাবে।

খাবার ব্যবস্থা

আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে খাবারের গাড়ি সংযোজন করা থাকে। করিডোরের মাধ্যমে ট্রেনের যেকোন প্রান্ত থেকে খাবারের গাড়িতে গিয়ে খাবার গ্রহণ করা যায়। এসকল খাবার গাড়িতে খাবারের মূল্য তালিকা টানানো থাকে। এখানে বার্গার, কেক, স্যান্ডউইচ, পেটিস, রোল, পাউরুটি, চা, কপি, কাটলেট, সিদ্ধ ডিম, ফ্রাইড চিকেন, কাবাব সিঙ্গারা, সমুচা, নানা ধরনের কোমল পানীয় ও মিনারেল ওয়াটার পাওয়া যায়। এছাড়া দৈনিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিন পাওয়া যায়।

অন্যান্য সুবিধাদি

  • আন্তঃনগর ট্রেনগুলো নামাযের জন্য নির্ধারিত জায়গা রয়েছে।
  • কতর্ব্যরত গার্ডের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স রয়েছে।
  • টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে। তবে ট্রেন থেমে থাকা অবস্থায় টয়লেট ব্যবহার না করা ভালো।
  • প্রত্যেক বগিতে একজন করে গাইড থাকেন। যাত্রীদের সেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ট্রেনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
  • যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে জানালার পাশে এ্যালুমিনিয়ামের শাটার। ট্রেনে ভ্রমণকালে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন – ট্রেনের দরজা-জানালায় না বসা, ট্রেনের ছাদে না ওঠা, ইঞ্জিনে না চড়া। ঘনবসতি বা বস্তি এলাকাতে ট্রেন চলার সময় জানালার শাটার লাগিয়ে দেয়া।
  • এসি কেবিন ছাড়া শোভন বগিতে স্ট্যান্ডিং টিকেট কাটার সুবিধা রয়েছে। মোট বরাদ্দকৃত টিকেট বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর স্ট্যান্ডিং টিকেট দেয়া হয়। স্ট্যান্ডিং টিকিটের মূল্য সিটিং টিকেটের সমান এবং সাথে সাধারণ টিকেটের মতই পণ্য নেয়া যায়।
Facebook Share.

Visited 12736 times, 1 Visits today

Add a Review

Related Listings

  • সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন লিঃ ঢাকা থেকে বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী পরিবহন সমুহের মধ্যে একটি পরিচিত নাম।  সুগন্ধা পরিবহন বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় চলাচল করে। সায়েদাবাদ থেকে এই পরিবহনের গাড়িগুলো  … Read more »

  • এম.ভি মাহিরা

    এম.ভি মাহিরা

    পর্যটন প্রতিষ্ঠান গ্রীন চেনেলের প্রমোদ তরী এম.ভি মাহিরা তে পা রেখে মনে হতে পারে ভুলে কোন রিসোর্টে পৌছে গেছে নাকি। তবে হ্যা চার পাশের উপস্থিতি জলরাশিই সে… Read more »

  • এম.ভি. গ্রীন লাইন

    এম.ভি. গ্রীন লাইন

    সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল বাসীর একটা স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে ! ঢাকা -বরিশাল রুটে চালু হল এম.ভি. গ্রীন লাইন নামক নতুন জাহাজ। এ রুটে চলাচল… Read more »