মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন, বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন

Visit Website

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন, ফোনঃ +৮৮-০২-৯৩৫৮৬৩৪,৮৩১৫৮৫৭, ৯৩৩১৮২২, বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন, ফোন: +৮৮-০২-৮৯২৪২৩৯

বাংলাদেশের পরিবহন জগতে ট্রেনের বিশাল ভুমিকা অপরিসীম। মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ট্রেন গুলোর মধ্যে অন্যতম।  ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াত কারি যাত্রীদের অন্যতম বাহন এই ট্রেন সার্ভিস।

মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস

ছাড়ার সময়সূচী

ঢাকা থেকে ছাড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছে বন্ধের দিন
সকাল ৭:৪০ দুপুর ৩:১৫ নেই
চট্টগ্রাম থেকে ছাড়ে ঢাকা পৌঁছে বন্ধের দিন
সকাল ৭:২০ দুপুর ২:০৫ রবিবার

ট্রেনের বগি

  • এই ট্রেনে বগি রয়েছে ১৬টি।
  • ১টি খাবার বগি
  • ১টি পাওয়ার কার বগি।
  • খাবারের বগিতে নামাযের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রয়েছে।
  • খাবারের বগিটি ট্রেনের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত।

বিরতির স্থান

  • বিমানবন্দর
  • ভৈরব বাজার
  • ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
  • আখাউড়া
  • কুমিল্লা
  • ফেনী

চট্রগ্রাম পর্যন্ত টিকেটের মূল্য

  • বার্থ এসি ৭৫৬ টাকা (প্রতি আসন)
  • বার্থ প্রথম শ্রেণী ৪৫৫ টাকা (প্রতি আসন)
  • স্নিগ্ধা ২য় শ্রেণী ৩৪৫ টাকা (প্রতি আসন)
  • শোভন চেয়ার ২য় শ্রেণী ১৫০ টাকা (প্রতি আসন)
  • শোভন ২য় শ্রেণী ১২৫ টাকা (প্রতি আসন)
  • তিন থেকে বার বছরের বাচ্চাদের জন্য অপ্রাপ্ত বয়স্ক টিকিট ক্রয় করা বাধ্যতামূলক।

ট্রেনের টিকেট যেভাবে কাটবেনঃ

রেল স্টেশনের বুথ থেকে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করা যেতে পারে । ঢাকা এবং আশেপাশের রেল স্টেশন গুলো হল নারায়ণগঞ্জ, গেন্ডারিয়া, কমলাপুর, তেজগাঁও, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, টঙ্গী এবং জয়দেবপুর। এর মধ্যে নারায়ণঞ্জ এবং গেন্ডারিয়া রেল স্টেশন ছাড়া অন্য রেল স্টেশনগুলোয় কম্পিউটারাইজড ডাটাবেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে টিকেট বিক্রি করা হয়। ফলে যেকোন গন্তব্যের টিকেট কাটা যায় এসব স্টেশন থেকে।

বুথগুলোয় সাধারণত ভিড় লেগেই থাকে। ভিড় এড়ানোর জন্য ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহ করা যায় এখন। মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক এবং গ্রামীনফোনের গ্রাহকগণ নিজের মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই টিকেট সংগ্রহ করতে পারেন। কিংবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন কোম্পানীর গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে যে কেউ টিকেট সংগ্রহ করতে পারে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর একটি নম্বর এসএমএস আকারে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায়। এটি দেখিয়ে ট্রেন ভ্রমণের আগে ফোন কোম্পানীর গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বা রেল স্টেশন থেকে প্রিন্ট আউট নিতে হয়।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যেতে পারে রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট ফোন কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে।

যোগাযোগ

কমলাপুর ০২-৯৩৫৮৬৩৪০২-৮৩১৫৮৫৭

০২-৯৩৩১৮২২

০১৭১১-৬৯১৬১২বিমানবন্দর০২-৮৯২৪২৩৯ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd

সাধারণ কিছু নিয়ম:

  • টিকেট হস্তান্তর যোগ্য নয়।
  • তিন থেকে বারো বছরের ছেলেমেয়েদের জন্য অপ্রাপ্ত বয়স্ক টিকেট কেনা বাধ্যতামূলক।
  • বিনা মাশুলে যাত্রীর সংগে বহনযোগ্য ব্যবহার্য সামগ্রীঃ এসি-৫৬ কেজি, প্রথম শ্রেণী-৩৭.৫ কেজি, শোভন-২৮ কেজি, সুলভ/দ্বিতীয় শ্রেণী-২৩ কেজি।
  • বিশেষ কারণবশত যাত্রাকালে কোচ/সীট নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে।
  • আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য ৩ দিন আগে সীট রিজার্ভেশনসহ টিকেট কেনা যায়।
  • টিকেট কাউন্টারের ডিসপ্লে-তে খালি আসন ও ভাড়া ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য জানার সুবিধা রয়েছে।
  • টিকেট প্রাপ্তির ব্যাপারে যাত্রীগণ প্রয়োজনে তৎক্ষণিকভাবে আন্তঃনগর ট্রেন বিরতি ষ্টেশনসমূহের বুকিং কাউন্টারের সামনে লিখিত মোবাইল নম্বরে সংশ্লিষ্ট রেল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

টিকেট ফেরত দেয়া

ট্রেন ছাড়ার নিদ্ধারিত সময়ের ৪৮ ঘন্টা পূর্বে ফেরত দিলে সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর ক্লারিকেল চার্জ কর্তন সাপেক্ষে পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হয়।

সময়

কমিশন

৪৮ ঘন্টা পূর্বে

৪ টাকা

২৪ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে

২০%

১২ থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে

৩০%

৬ ঘন্টা থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে

৪০%

৩ ঘন্টা থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে

৫০%

ট্রেন ছাড়ার ৩ ঘন্টার কম সময়ের মধ্যে টিকেটের মূল্য ফেরত পাওয়া যায় না।

ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট

বাংলাদেশ রেলওয়ে  ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট কাটার ব্যবস্থা চালু করেছে। যার ফলে যে কেউ অনলাইনে ট্রেনের টিকেট বুকিং দিতে পারবেন। ইন্টারনেটে টিকেট কাটতে হলে প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে  হবে। এরপর ই-মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত গন্তব্যের টিকেট বেছে নিয়ে ভিসা বা মাস্টারকার্ড সমর্থিত ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করার পর গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এটির প্রিন্ট নিয়ে ট্রেন ছাড়ার ১৫ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত হতে হবে; ২০ টাকা অতিরিক্ত মাশুল দিতে হবে এজন্য।

 টিকেট কাটার বিস্তারিত:

রেলওয়ের ওয়েবসাইটে (www.railway.gov.bd) গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে।

এ ছাড়া

  • যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে জানালার পাশে এ্যালুমিনিয়ামের শাটার। ট্রেনে ভ্রমণকালে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন – ট্রেনের দরজা-জানালাতে না বসা, ট্রেনের ছাদে না ওঠা, ইঞ্জিনে ওঠে না বসা। ঘনবসতি বা বস্তি এলাকাতে ট্রেন চলার সময় জানালার শাটার লাগিয়ে দেয়া।
  • এসি কেবিন ছাড়া শোভন বগিতে স্ট্যান্ডিং টিকিট কাটার সুবিধা রয়েছে। স্ট্যান্ডিং টিকিট তখন দেয়া হয় যখন মোট বরাদ্দকৃত টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়। স্ট্যান্ডিং টিকিটের মূল্য সিটিং টিকিটের সমান এবং সাথে বিনা মাশুলে নির্দিষ্ট পরিমাণে মালামাল সাথে নেওয়া যায়।
  • এসি সার্ভিসের যাত্রীগণ টিকেট মূল্যের সাথে সর্বোচ্চ ৫৬ কেজি, প্রথম শ্রেণী ৩৭.৫ কেজি, শোভন ২৮ কেজি ও সুলভ/দ্বিতীয় শ্রেণী ২৩ কেজি পর্যন্ত বৈধ মালামাল বহন করতে পারে।
  • প্রত্যেকটি বগিতে রয়েছে একজন করে কর্তব্যরত গার্ড। যাত্রীদের সেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ট্রেনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা দায়িত্ব পালন করে থাকে।
Facebook Share.

Visited 14174 times, 1 Visits today

Tagged In মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস

Add a Review

Related Listings

  • সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন

    সুগন্ধা পরিবহন লিঃ ঢাকা থেকে বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী পরিবহন সমুহের মধ্যে একটি পরিচিত নাম।  সুগন্ধা পরিবহন বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় চলাচল করে। সায়েদাবাদ থেকে এই পরিবহনের গাড়িগুলো  … Read more »

  • এম.ভি মাহিরা

    এম.ভি মাহিরা

    পর্যটন প্রতিষ্ঠান গ্রীন চেনেলের প্রমোদ তরী এম.ভি মাহিরা তে পা রেখে মনে হতে পারে ভুলে কোন রিসোর্টে পৌছে গেছে নাকি। তবে হ্যা চার পাশের উপস্থিতি জলরাশিই সে… Read more »

  • এম.ভি. গ্রীন লাইন

    এম.ভি. গ্রীন লাইন

    সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল বাসীর একটা স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে ! ঢাকা -বরিশাল রুটে চালু হল এম.ভি. গ্রীন লাইন নামক নতুন জাহাজ। এ রুটে চলাচল… Read more »